সংস্কৃতি ও স্বকীয়তা ধরে রাখা: লোকজ সুর, লালনগীতি, ভাওয়াইয়া, রবীন্দ্র-নজরুল থেকে শুরু করে আধুনিক ব্যান্ড সংগীত—বাঙালির ঐতিহ্যকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান কারিগর আমাদের শিল্পী ও সুরকাররা।
বিশাল ইভেন্ট ও লাইভ বিনোদন অর্থনীতি: দেশে উৎসব-পার্বণে আয়োজিত কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুধু বিনোদনই দেয় না; এর সাথে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, মিউজিশিয়ান, লাইটিং ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের লাখো মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত।
তরুণদের মানসিক বিকাশ ও সামাজিক সচেতনতা: মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে তরুণদের দূরে রাখতে এবং যেকোনো সামাজিক বা রাজনৈতিক সংকটকালে সংগীতই সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
আপনার মতামত লিখুন :